একজন মোশাররফ হোসেন এবং ফরিদপুরের উন্নয়ন

স্বাধীনতা পুর্ব ও স্বাধীনতা উত্তর ফরিদপুরের জনগনের বিনোদনের জন্য পেক্ষাগৃহ বা সিনেমা হল ছাড়া কিছুই ছিল না। বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা উত্তর হাতে তেমন একটা সময় পাননি। তিনি যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশের জনগণের মুখে খাদ্য তুলে দেওয়ার জন্য, দেশের ভৌতিক অবকাঠামো বিনির্মাণে ব্যতিব্যস্ত ছিলেন।
জাতির জনক হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশ বেশীর ভাগ সময় শাষন করেছে আওয়ামী বিরোধী শক্তি। ফরিদপুরের এই আসনে অনেক সাংসদ এসেছেন কিন্তু বিনোদনতো দুরের কথা ফরিদপুরের জনগনের উন্নয়নের জন্য উল্লেখযোগ্য কিছু করেন নাই। ৫ বার সাংসদ হওয়ার পরও চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ ফরিদপুরের জনগনের উন্নয়ন নজরকাড়া অথবা উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন কোনটাই করেন নাই।
খন্দকার মোশাররফ হোসেন ক্ষমতায় আসার পর ফরিদপুরের জনগনের উন্নয়ন সহ তাদের বিনোদনের জন্য নিরলসভাবে কাজ করেছেন। পল্লী কবি জসিম উদ্দিন এর বাড়ি দৃষ্টি নন্দন করেছেন। ধলার মোড় নামক বিনোদন জায়গায় নিরাপদ আসা যাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। বানিজ্য মেলা, উন্নয়ন মেলা সার্থকভাবে রুপায়িত করেছেন। কৃষি মেলাকে জনপ্রিয় করে বৃক্ষ রোপনের দিকে ফরিদপুরের জনগণদের আকৃষ্ট করেছেন। শিশুদের বিনোদনের জন্য রাসেল শিশু পার্ক তার উল্লেখযোগ্য একটি কর্ম। রাজবাড়ী রাস্তার মোড়, ভাঙ্গা রাস্তার মোড়, জনতা ব্যাংকের মোড় গুলোকে আকর্ষণীয় ভাবে সাজিয়েছেন। টেপাখোলা লেককে আকর্ষণীয় করার জন্য বড় প্রকল্প হাতে নিয়েছেন।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সমাগত। ফরিদপুরের বৃহৎ জনগণের জন্য টেপাখোলা লেকটি আকর্ষণীয় স্থান হিসেবে গড়ে তোলা অত্যাবশ্যক। তাই বিনোদন ক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য জনাব মোশাররফ হোসেন কে অত্যন্ত প্রয়োজন।
আমাদের প্রয়োজনের কথা উপলব্ধি ও সার্বিক পেক্ষাপট বিবেচনায় নৌকার মাঝি জনাব মোশাররফ হোসেন কে ভোট দেওয়া ছাড়া আর কোন বিকল্প নাই।আসুন আমরা সম্মিলিত হয়ে আলহাজ্জ্ব খন্দকার মোশাররফ হোসেন কে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে ফরিদপুরের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখি।

# শ ম জাফর
ফরিদপুর।