পর্ব- ২ ♦ একজন মোশাররফ হোসেন এবং ফরিদপুরের উন্নয়ন ;

ফরিদপুর :

ফরিদপুর শহর ও আশপাশের গ্রামগুলো ছিল সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য। মনে হয় এইতো সেদিনের কথা। বি এন পি, জামাত জোট সরকার ক্ষমতায়। হাত কাটা পা কাটা অমুক, গাল কাটা, স্যুটার, টিভিএস, বগা, মুরগি অমুক কতযে নাম! নাম শুনলেই গা শিউরে উঠত। সন্ত্রাসীদের ভয়ে কেউ টু শব্দটা করতে পারতো না। সারাজীবনের অর্থ অথবা চাকুরী থেকে অবসরের কষ্টার্জিত অর্থ হাতে নিয়ে জায়গা কেনার জন্য অথবা ক্রয়কৃত জায়গা, বাপ দাদার এক চিলতে জায়গায় স্বপ্নের বাড়ি বানানোর জন্য জায়গার উপর বালু ফেললেই তারা হাজির। বাড়ি করতে হলে, জমি কিনতে হলে মোটা অংকের চাঁদা দিতে হবে। না দিলেই কাজ বন্ধ। অসহায় ছিল প্রশাসন। অভিযোগ জানালেই হাত পা ভেঙ্গে ফেলা হতো, কোপানো হতো, জীবনে শেষ করে দেওয়া হতো।
রাস্তায় মা বোনেরা সোনার গহনা পড়ে চলাচল করতে পারতেন না। বাড়িতে নিরাপদে বাস করাই ছিল দুস্কর। মা বোনদের ইজ্জত রক্ষা করা ছিল মুস্কিল। চুরি ডাকাতি ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। এ যেন ছিল সন্ত্রাসের জনপদ। সন্ত্রাসীদের পৃষ্ঠপোষক ও গডফাদার ছিল এলাকা ভিত্তিক।
আলাদিনের যাদুর চেরাগ হাতে নিয়ে ক্ষমতায় আসলেন একজন মহান ব্যক্তি। সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, খুনি, চোর ডাকাত, ছিনতাইকারীদের ধীরে ধীরে এই জনপদ থেকে বিদায় করে দিলেন তিনি। অধিকাংশ পৃষ্ঠপোষক, গডফাদাররা আত্মগোপন করতে বাধ্য হলো এই জনপদ থেকে। ফরিদপুর হলো সন্ত্রাসমুক্ত। মানুষ নিরাপদে চলাফেরা, বাড়িতে নিরাপদে বসবাস করতে লাগল। দরজা জানালা খুলে ঘুমালেও কোন ক্ষতি হতো না।
যে মানুষটির জন্য এই অসাধ্য সাধন হলো তিনি হলেন এই জনপদের একজন মানুষ জনাব খন্দকার মোশাররফ হোসেন। সন্ত্রাসেের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি হাতে নিয়ে এই জনপদের মানুষদের দিলেন নিরাপদ জীবন যাপনের অভুতপু্র্ব ব্যবস্থা।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ৩০ ডিসেম্বর। আমাদের নিরাপদ থাকতে হলে তাকে আমাদের প্রয়োজন। আমাদের প্রয়োজনীয়তার কথা বিবেচনা করে আলহাজ্জ্ব খন্দকার মোশাররফ হোসেন কে ভোট দেওয়া উচিৎ। আর যদি আমরা তাকে ভোট না দেই তাহলে আমরা বড় ধরনের ভুল করবো। যে ভুলের মাশুল আমরা শুধরাতে পারবো না।
#
শ ম জাফর
ফরিদপুর