ব্যাংকের কর্মকর্তাদের শহিদুল করিমের হুমকি, থানায় অভিযোগ

ডেস্ক রিপোর্ট :
ফরিদপুর সদর উপজেলার হাফেজ ডাঙ্গী গ্রামের রেজাউল করিম এর ছেলে শহিদুল করিম (একটি ঋণের খেলাপীর জামিনদার) গত ১৩ এপ্রিল জেলার প্রাচীন আর্থিক প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিঃ,ফরিদপুর কার্যালয়ে গিয়ে ব্যাংক কর্মকর্তাদেরকে হুমকি প্রদানের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে উক্ত ব্যাংকের প্রশাসন শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ব্যাংকের পক্ষে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় তাঁর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ঘটনার বিবরণে প্রকাশ, পলাতক ঋণ বিনিয়োগ গ্রহীতা রানা আহমেদ পিতাঃ সেকেন্দার আলী,খা পাড়া,ফরিদপুুর এর জামিনদার জনাব শহিদুল করিম,পিতা ঃ রেজাউল করিম,সাং হাফেজ ডাঙ্গী ,দক্ষিণ চরমাধবদিয়া, পোঃ বাকিগঞ্জ, থানাঃ কোতায়ালী,জেলাঃ ফরিদপুর ব্যাংকের ঋণের পাওনা ৩,৯৪,১২৮/- (তিন লক্ষ চুরানব্বই হাজার একশত আঠাশ) টাকা মাত্র আত্মসাৎ করার কু-মতলবে দায় অস্বীকার করেছেন। ঘটনার দিন তিনি তার হিসাবে জমাকৃত সঞ্চয় ফেরত এর জন্য ব্যাংকে গিয়ে ফেরত চান । এ সময় ব্যাংকের পক্ষ থেকে তাকে জানানো হয় যে,আপনি একটি ঋণের জামিনদার থাকায় এবং সে ঋণ খেলাপী হওয়ায় আপনার জমা সঞ্চয় উত্তোলন কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। তাকে এ বিষয়ে গত ১১/০৪/২০২১ইং তারিখে ব্যাংকের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর পত্র দিয়ে জানিয়েছেন। কিন্ত তিনি তা না মেনে ব্যাংকে এসে কর্মকর্তাদের উপর অবৈধ চাপ ও হুমকি প্রদান করেন এবং বলেন আপনারা কাজটি ভাল করলেন না। আমি আপনাদের দেখো নিবো। এমনি কি তিনি কর্মকর্তাদের মোবাইল ম্যাসেঞ্জারেও হুমকি প্রদান করেন। উক্ত শহিদুল করিম ব্যাংকের দায় না নিয়ে উল্টো ব্যাংকের কাজে বাধা প্রদানসহ বিভিন্ন মিথ্যা অভিযোগ প্রচার করে বেড়াচ্ছে বিভিন্ন মহলে বলে উক্ত ব্যাংকের কর্মকর্তারা অভিযোগ করেন।

এ বিষয়ে ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে আমাদের প্রতিনিধিকে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, উক্ত শহিদুল করিম একটি ঋণের জামিনদার হয়ে ব্যাংকের ফরম/অঙ্গীকার নামা ও নন-জুডিশিয়াল স্টাম্পে স্বাক্ষর করে জামিনদার হয়েছেন। তাহার সকল চুক্তিনামা/দলিলাদী ব্যাংকে সংরক্ষিত রয়েছে। ঋণী পলাতক থাকায় উক্ত চতুর প্রতারক শহিদুল করিম ব্যাংকের কাগজ পত্রে স্বাক্ষর করার কথা অস্বীকার করছেন। তিনি নানা গল্প পেতে এখন ব্যাংকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে বেড়াচ্ছেন,এতে লাভ হবে না। আইন অনুযায়ী তাকে টাকা দিতে হবে। তিনি সকল টাকা পরিশোধ করলে তার জমা সঞ্চয় ফেরত প্রদান করা হবে।

এ বিষয়ে খেলাপী জামিনদার অভিযুক্ত শহিদুল করিম এর সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি (শহিদুল) দেড় লাখ টাকার চেক দিয়েছি আগের ঋণের জন্য ,তবে তিনি চেক দেওয়ার কোন প্রমান আছে জানতে চাইলে বলেন কোন প্রমান নেই আমার হাতে।

এ বিষয়ে থানার অভিযোগ তদন্তের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। #